Posts

Showing posts with the label Legal

আইন বিষয়ক কতগুলি ইংরেজি শব্দের অর্থ ও ব্যবহার:- some legal terms and their uses

১) অর্ডিনান্স (Ordinance): গৃহনির্মাণ, নিরাপত্তা, জোনিং ইত্যাদি বিষয়ক ব্যাপারে যে-সব বিধি কর্পোরেশন, সরকার বা অন্যান্য অধিকারিক সংস্থা জারী করে।রাষ্টপ্রতিও Ordinance জারি করতে পারে আবার Order  ও জারি করতে পারে।  Order and Ordinance এক না। ২) আপীল (Appeal): নিম্ন আদালতের রায়ের পুনর্বিচারের জন্য উচ্চ আদালতে আবেদন করা। ৩) আরবিট্রেশন (Arbitration): বিবাদকারী দুই দলের অনুমোদিত নির্দলীয় কোন তৃতীয় পক্ষকে দিয়ে কলহের বিচার – যার রায় বিবাদকারীরা মানতে স্বীকৃত। ৪) এলিবাই (Alibi): অপরাধ সংঘটিত হবার সময় অভিযুক্তের অন্য কোথাও থাকার দাবি। ৫) ইনটারলোকিউটরি (Interlocutory): অস্থায়ী, অন্তর্বতী কালের জন্য। ৬) উইল (Will) বা ইচ্ছাপত্র: কোন ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার ধনসম্পত্তি কীভাবে বণ্টন করা হবে – সে বিষয়ে তাঁর ইচ্ছাপত্র। ৭) ইনটেস্টেট (Intestate): যে ব্যক্তি উইল বা ইচ্ছাপত্র না লিখে মারা গেছে – তার স্ট্যাটাস বা অবস্থা। ৮ ) একস্ট্রাডিশান (Extradition): অভিযুক্ত ব্যক্তিকে একটি আইন-এলাকা (রাজ্য, রাষ্ট্র, ইত্যাদি) থেকে অন্য আইন-এলাকায় হস্তান্তরিত করা। ৯) এনট্র্যাপমেন্ট (Entrapment): কাউকে অন্...

তামাদি আইন ১৯০৮

★এটি ১৯০৮ সালের ০৯ নং আইন। ★প্রকাশিত হয় ০৭ ই আগস্ট ১৯০৮। ★কার্যকর ১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারি। ★মোট ধারা ২৯(পূর্বে ৩২ টি,বর্তমানে বাতিল ০৩টি) ★মোট তফসিল ০৩টি(বর্তমানে বাতিল ২য় ও ৩য় তফসিল)। ★১ম তফসিলে মোট অনুচ্ছেদ ১৮৩টি। ★তামাদির সীমা(৩-২৫)ধারা পর্যন্ত। ★প্রেসক্রিপশন ও একুইজেশন (২৬-২৮)ধারা পর্যন্ত। ★মোট অধ্যায় ০৫ টি। ★ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে তামাদি আইন প্রযোজ্য নয়। ★ফৌজদারী আপীল রিভিশনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ★মূল বই থেকে পড়ে নিন ধারা ৩,৪,৫,৬,৭,৯,১০,১২,১৪,১৮,১৯,২৩, ২৬,২৮,২৯ ★উল্লেখযোগ্য তামাদির মেয়াদসমূহঃ ০১/দলিল সংক্রান্ত তামাদিকাল -৩ বৎসর। ০২/চুক্তিসংক্রান্ত তামাদিকাল ১ বৎসর। ★রিভিউ এর তামাদিকালঃ ০১/ নিম্ন আদালত- ৯০ দিন বা ৩ মাস। ০২/হাইকোর্ট -২০ দিন(মূল এখতিয়ার) *****টাকা সম্পর্কিত যা কিছু হোক না কেন তামাদিকাল ৩ বৎসর। ★খালাসের বিরুদ্ধে সরকারী আপিল ৬ মাস এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে -২ মাস।

বিষয়:বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনারস্ এবং বার কাউন্সিল আদেশ ও বিধিমালা,১৯৭২

★এটি একটি রাষ্ট্রপতির আদেশ। ★৪৬ নং আদেশ ১৯৭২,যা ১৭ মে দেওয়া হয়েছিল। ★এখানে আদেশে মোট অনুচ্ছেদ ৪৬ টি। ★এই আদেশটি কার্যকর হয় ২৬ শে মার্চ ১৯৭১ থেকে। ★বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনারস্ & বার কাউন্সিল বিধিমালাতে মোট অধ্যায় আছে ১০ টি এবং বিধি আছে ১০১ টি। ★" বাংলাদেশ বার কাউন্সিল কেননস অব প্রফেশনাল কন্ডাক্ট এন্ড ইটিকেট"-এ অধ্যায় আছে ৪টি এবং বিধি ৪২ টি। যা আপনাকে সম্পূর্ণ একবার পড়ে নিতে হবে। ★আদেশ থেকে যে অনুচ্ছেদ সমূহ আপনাকে পড়ে নিতে হবেঃ # Article 2,3,4,5(a),6,6(a),8,9,10,11(a) ,11(2),12,16,27(1),27(3),32,33 ,34,36,40,41, ★বিধিমালা থেকে আপনাকে যা পড়ে নিতে হবেঃ # বিধি ৩,৫,২০,২২,২৮,২৯ ,৩৩,৪১,৪১(ক),৪২,৪৩,৪৫,৪৬,৪৯,৫০ ,৫৮,৫৯,৭৫,৭৫(ক),৯১,৯৯,১০১

এক নজরে দঃবিঃ

# প্রথম  খসড়া প্রণয়ন করেন লর্ড মেকলে। # খসড়া  প্রণয়ন করেন ১৮৩৭ সালে। #১৮৬০ সালের ৪৫ নং আইন। # দঃবিঃ  প্রনীত হয় ১৮৬০ সালের ০৬ অক্টোবর। # কার্যকারিতা  শুরু হয় ১ লা জানুয়ারি ১৮৬২ সালে। # এটি  একটি মূল আইন। # অধ্যায়  ২৩ টি। # ধারা  ১।শিরোনাম ও আইনের কার্যকারিতার সীমা। #ধারা।৫১১।সর্বশেষ ধারাঃযাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনের উদ্যোগের সাজা। # সর্বনিম্ন  সাজাঃ ২৪ ঘন্টা পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা ১০ টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে বা উভয়। # দঃবিঃ১২১ ,১৩২,১৯৪,৩০২,৩০৩,৩০৫,৩০৭,৩২৬(ক),৩৬৪(ক),৩৯৬ মোট দশটি অপরাধের জন্য মৃত্যুদণ্ডের বিধান আছে। #৫৫ টি অপরাধের জন্য যাবজ্জীবন কারাদন্ডের বিধান আছে। #১৯ টি অপরাধের বিনাশ্রম কারাদন্ডের বিধান আছে। # মূল  বই থেকে পড়ে নিবেনঃ ধারা 6,19,21,34,35,44,52,53,54,55,55(a),57,64,65,66,67,70,73,74,76,77,81,82,83,84,93,95,96,97,98,99,100,103,105,107,108,109,115,117,120(a),120(b),121,121(a),124(a),128,141,(141---149),152,154,(159--161),(191---194),212,216a,(230...

বিষয়:সাক্ষ্য আইন ১৮৭২।

★১৮৫০ সালে সর্ব প্রথম সাক্ষ্য আইনের খসড়া প্রস্তুত করেন -স্যার হেনরি সামার মেইন ।এটি ভারতে ব্যবহারের অনুপযোগী ছিল। ★১৮৭১ সালে বর্তমান সাক্ষ্য আইনের খসড়া প্রস্তুত করেন স্যার জেমস ফিটজজেমস স্টিফেন। ★পাশ হয় ১৮৭২ সালের ১৫ ই মার্চ। ★সাক্ষ্য আইন পদ্ধতিগত আইন। ★১৮৭২সালের ১নং আইন। ★১১টি অধ্যায়। ★সাক্ষ্য আইনকে Lex flurry বা ফোরামের আইন বলা হয়। ★ ১৬৭টি ধারা। ★৩টি ভাগে বিভক্ত। ★কার্যকর হয় ১লা সেপ্টেম্বর ১৮৭২। ★এই আইন বিচারিত আদালতে প্রয়োগ যোগ্য তবে সেনা,নৌ এবংবিমান বাহিনীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ★এই আইন সালিস আইন ও এফিডেবিট এর ক্ষেত্রে ও অপ্রযোজ্য। ★সাক্ষ্য আইনের মূলনীতি তিনটি। ★৩ ধারায় সাক্ষ্য দুই প্রকার। যথাঃমৌখিক সাক্ষ্য ও দালিলিক সাক্ষ্য। ★২টি বিষয়ের উপর নির্ভর করে সাক্ষ্য প্রদান করা যেতে পারে।যথাঃবিচার্য বিষয় এবং প্রাসঙ্গিক বিষয়। ★৪ধারায় অনুমান তিন প্রকার। ★অখন্ডন যোগ্য অনুমান হলো Conclusive proof. ★৮ধারায় Motive/Malice প্রাসঙ্গিক। ★যে সব ঘটনা দেওয়ানি আদালতে ক্ষতিপূরণ নির্ধারনে সহায়তা করে তা প্রাসঙ্গিক। ★১০ধারায় আপরাধ মূলক ষড়যন্ত্রে অংশ গ্রহণ কারীদের কোন কাজ প্রাসঙ্গিক। ★দোষ স্বীকারোক্তি কোন ...

Ad-valorem court fee নির্ণয়ের পদ্ধতি:

মূল্যমানের উপর উপর ২% উক্ত ২% এর উপর ১৫% ভ্যাট। মোট (২%+২% এর ১৫%= কোর্ট ফি) যেমন: কোন মোকদ্দমার মূল্য ধরি ১০,০০,০০০ টাকা। এর কোর্ট ফি হবে --- ১০,০০,০০০ টাকার ২%=২০,০০০ টাকা ২০,০০০ টাকার ১৫%= ৩,০০০ টাকা মোট কোর্ট ফি লাগবে ২০,০০০+৩,০০০=২৩,০০০ টাকা।

দেওয়ানী কার্যবিধি, পর্ব ০১

★এটি একটি পদ্ধতিগত আইন। ★১৮৫৯ সালে এই আইন প্রথম গৃহীত হয়। ★১৯০৮ সালের ০৫ নং আইন। ★গৃহীত হয় ২১ শে মার্চ ১৯০৮ সালে। ★বলবৎ হয় ১লা জানুয়ারী ১৯০৯ সালে। ★মোট ধারা ১৫৮ টি।কিন্তু ১৫৬,২৫৭,১৫৮নং ধারা তিনটি বাতিল। ★মোট আদেশ ৫১ টি। (বর্তমানে ৫১ নং বাতিল) ★ধারা সংশোধন করতে পারে জাতীয় সংসদ। ★বিধি সংশোধন করতে পারে সুপ্রীম কোর্ট। ধারা ২।সজ্ঞাসমূহ।যেভাবে আপনাকে মনে রাখতে হবে। "সূ্ত্র ০১" --------- "বিডিডি জেবি বিস বিরাদা বৈঅ অআ উনিস বিকস্বা" ★বি--বিধি---ধারা ২(১) ★ডি--ডিক্রি----ধারা২(২) ★ডি--ডিক্রিদার ---ধারা২(৩) ★জে--জেলা---ধারা২(৪) ★ বি--বিদেশী আদালত--২(৫) ★বি--বিদেশী রায়------২(৬) ★স--সরকারী উকিল----২(৭) ★বি--বিচারক বা জজ---২(৮) ★রা--রায়----২(৯) ★দা----দায়িক/সাব্যস্ত দেনাদার------২(১০) ★বৈ--বৈধ প্রতিনিধি ---২(১১) ★অ---অন্তবর্তীকালীন মুনাফা ২(১২) ★অ---অস্থাবর সম্পত্তি ---২(১৩) ★আ---আদেশ---২(১৪) ★উ---উকিল-----২(১৫) ★নি----নির্ধারিত-----২(১৬) ★স--সরকারী কর্মকর্তা ---২(১৭) ★বি---বিধিমালা-----২(১৮) ★ক----কর্পোরেশন শেয়ার---২(১৯) ★স্বা---স্বাক্ষরিত---২(২০

দেওয়ানী কার্যবিধি, পর্ব ০২

Order=o,Rules =R যা মনে রাখতে হবে ★O-1,R-8(প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা,) ★O-6,R-17(আরজি জবাব সংশোধন ★O-7,R-10(আরজি ফেরত প্রদান) ★O-7,R-11(আরজি প্রত্যাখান) ★O-8,R-6(1)পারস্পরিক দায়শোধ/সেট অফ) ★0-21,R-19(পাল্টা দাবী বা Counter claim) ★o-16,R-10(সমন অমান্যকারী সাক্ষীর প্রতি পরোয়ানা) ★0-20,R -18(বাটোয়ারার মামলা or partisan suit)

পর্ব ০৪,বিষয়:দেওয়ানি কার্যবিধি।

০১/পারস্পরিক দায়শোধ/set off এর মামলা দায়ের করতে হয়? উ:অডার-৮,বিধি-৬ মতে। ০২/লিখিত জবাব দাখিল করতে হবে-------। উ:৩০ দিনের মধ্যে। ০৩/লিখিত বিবৃতি দাখিলের সময় সীমা সমন জারির তারিখ হতে কোন অবস্থাতে কত কার্যদিবস অতিক্রম করবে না? উ:৬০দিন। ০৪/আদালত একতরফা মামলার নিষ্পত্তি করবে-------? উ:বিবাদী ৬০ কার্যদিবসে লিখিত বিবৃতি দাখিলে ব্যর্থ হলে। সাথে থাকুন,ধন্যবাদ। ০৫/বিবাদীর বিরুদ্ধে একতরফাভাবে ডিক্রি রদকরণের আবেদন করতে হবে আদেশ ৯,বিধি১৩ মতে। ০৬//মামলা সরাসরি খারিজ রদকরণ আদেশ ৯ বিধি (৯)এ অনুসারে। ০৭/কোন পক্ষ হাজির না থাকলে মোকদ্দমা খারিজ হবে। ০৮/সমন জারি না হওয়ার প্রত্যয়ন পত্রসমেত তাহা ফেরত দেওয়ার এক মাসের মধ্যে বাদী যদি নতুন সমন দেওয়ার আবেদন না করেন,তবে আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দিবেন ০৯/সরাসরি খারিজ রদকরণে বাদীকে খরচ দিতে হবে একহাজার টাকা। ১০/সরাসরি খারিজ রদকরণ আবেদন করতে হবে ত্রিশ দিনের মধ্যে। ১১/একতরফা ডিক্রি সরাসরি রহিতকরণে বাদী অনধিক তিনহাজার টাকা খরচা প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে।

পিসিতে বর্ণিত দণ্ডসমূহ মনে রাখবেন যেভাবে

০১.সাজা ২৪ ঘন্টা বা একদিন : ------------------------- ★ধারা ৫১০ ০২.সাজা এক মাসঃ -------------------- ★ধারা ১৬০,৩৪১ ০৩.সাজা তিনমাসঃ ----------------- ★ধারা ২৯৪,৩৫২,৪২৬,৪৪৭ ০৪.সাজা ছয়মাসঃ ------------------ ★ধারা১২০(খ),১৩৮,১৪৩,২৭২। ০৫.সাজা একবছরঃ ----------------- ★ধারা ৩০৯,৩২৩,৩৪২,৪১৭,৪৪৮,৪৮২,৫০৯ ০৬.সাজা দুই বৎসরঃ ----------------- ★ধারা ১৪৪,১৪৭,৩৩৮(ক),৩৪৩,৩৪৫,৩৭৬(ধর্ষিত স্ত্রী লোকটি নিজের স্ত্রী এবং ১২ বৎসরের কম বয়সী না হলে) ৪০৩,৪২৭,৪৫৩,৪৬৫,৪৭১,৫০০,৫০৬ ০৭.সাজা তিন বৎসরঃ ------------------- ★ধারা ১১৭,১৪৮,১৫২,১৬১,২১২,৩০৪(খ),৩৪৮,৩৭৯,৩৮৪,৪০৪,৪০৬,৪১১,৪১৯,৪৫৬,৪৬৯ বিস্তারিত জানতে মূল বইয়ের সহযোগীতা নিবেন।

বিষয়ঃসাক্ষ্য আইন ,১৮৭২

এক নজর কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নঃ ০১."no particular member of witness shall in any case be required for the proof of any fact"---বাক্যটি The evidence act,1872 এর কত ধারায় বর্ণিত আছে? ১১তম জুঃপঃ Ans:১৩৪ ধারা। ০২. The evidence act,1872 এর বিধান অনুযায়ী বিবাহবিচ্ছেদের পর তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী কতদিনের মধ্যে সন্তান প্রসব করলে তা পূর্বের স্বামীর ঔরসজাত বৈধ সন্তান বলে পরিগণিত হবে?--জু:প:১০ Ans:২৮০ দিন। ০৩.ত্রিশ বছরের পুরাতন দলিল সম্পর্কিত অনুমান গ্রহনের বিধান The Evidence act 1872 এর কোন ধারায়?জুঃপঃ১০ Ans:৯০ ধারা। ০৪.সাক্ষ্য আইন অনুসারে কোনটি প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য? ------নবম জু:প: Ans:স্বাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দেয় তা নিজে দেখেছে। ০৫.'রায়' কোন ধরনের ডকুমেন্ট?--জুঃপঃ৭ম Ans:পাবলিক ডকুমেন্ট। ০৬.মৃত্যুকালিন ঘোষনার সময় কোন বিষয় সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য হয় না?---জুঃপঃ৭ম Ans:সম্পত্তি দান। ০৭.সকল ক্ষেত্রেই মৌখিক সাক্ষ্য হইবে-----।এঃপঃ২০১৩। Ans:প্রত্যক্ষ। ০৮.বিনা টিকেটে ট্রেন ভ্রমনের অভিযোগে ঢ অভিযুক্ত হয়।ঢ এর টিকেট ছিল এ বিষয়টি প্রমাণের দায়িত্ব? --এঃপঃ২০১৩ Ans:ঢ এর। ০৯.পুল...

কোর্ট প্র্যাকটিস শব্দ

#তলবানা,রোজিনা,প্রসেস ফি মূলত একই শব্দ যা ফৌজদারী আদালতে আপনি অবশ্যই শুনে থাকবেন।নতূন মামলা দায়েরে আপনাকে এই রোজিনা/প্রসেস ফী/তলবানা দাখিল করতে হয়।এছাড়া ও সমন ইস্যু,W/A ইস্যু,WP&A জারির ক্ষেত্রেও সংশ্লিষ্ট পক্ষকে এই তলবানা/প্রসেস ফি/রোজিনা দাখিল করতে হয়।ব্যর্থতায় মামলা খারিজ বা তদবিরের জন্য রাখা হয়। #মং যা ফৌজদারী আদালতে জামিন নেওয়ার সময় আদালত নির্দিষ্ট করে দেয়। মং এর অর্থ হলো বণ্ড।বণ্ড টাকায় পরিমাপযোগ্য। #জামিন চাইতে ও পুলিশ রিমান্ড এর ক্ষেত্রে পুট আপ দেওয়া যায়।Put up শব্দের অর্থ হলো গর তারিখে নথি উপস্থাপন। #বং অর্থ মূর্খ। কেউ দস্তখত করতে না জানলে টিপসহি ব্যবহার করে থাকেন।এক্ষেত্রে টিপসহি সম্পাদনকারী ব্যক্তির পক্ষে অন্য একজনকে বং সম্পাদন করতে হয়। # সাং শব্দের অর্থ হলো ঠিকানা।যা আদালতে এখনো ব্যবহৃত হয়। # পিং অর্থ হলো পিতা।